হলি আটা আধুনিক  প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎকৃষ্ট গম থেকে উৎপাদিত হয়।

হলি আটা আধুনিক  প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎকৃষ্ট গম থেকে উৎপাদিত হয় – স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার তৈরির জন্য উপযুক্ত। হলি ময়দার উৎপাদনের সময়, গম অনেকগুলি স্বয়ংক্রিয় পরিষ্কারের পর্যায়ে যায় যা সমস্ত অমেধ্য দূর করে। এটি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয়  যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে উন্নত মানের কাঁচামাল থাকে প্রস্তুতকৃত । কোম্পানির নিজস্ব ফ্যাক্টরী তে তৈরী । হলি ময়দা পরাঠা, পিজ্জা, সমোসা এবং আরও অনেক সুস্বাদু আইটেম তৈরির জন্য সেরা।

শরীর গঠনে যে সকল ভিটামিন ও খনিজ দরকার তার সবই আটা রুটিতে রয়েছে। আটার সবচেয়ে বড় গুণ হলো এতে কোনো ফ্যাট থাকে না, এজন্য এটি চর্বি কমাতে সাহায্য করে। গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স নামক উপাদান কম থাকায় রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে, তাই রুটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারি। আটায় আছে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান, যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায় এবং নিয়মিত খেলে শরীর ফিট থাকে। রুটিতে থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। নিয়ম করে প্রতি রাতে ২-৩ টি রুটি খেলে শরীরের নানাবিধ উপকার হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্তণে রাখেঃ

রুটি খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই যাদের পরিবারে ডায়াবেটিস এর ইতিহাস রয়েছে তারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রাতে রুটি খেতে পারেন।

ত্বক সুরক্ষায় সাহায্য করেঃ

রুটিতে প্রচুর পরিমাণে জিংক রয়েছে, যা ত্বকের বলিরেখা দূর করার মাধ্যমে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

এনার্জির ঘাটতি দূর করেঃ

রুটিতে থাকা কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও প্রোটিন ক্লান্তি দূর করে, এনার্জি ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ভিটামিনের ঘাটতি দূর করেঃ

আটা রুটিতে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৬, বি৯ ও ভিটামিন ই যা শরীরের সকল ভিটামিনের চাহিদা মেটাতে পারে।

কনস্টিপেশনের সমস্যা দূর করেঃ

নিয়মিত রুটি খাওয়ার অভ্যাস করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে না।

পেশির গঠনে সহায়তা করেঃ

রুটিতে থাকা প্রোটিন পেশির গঠনে সাহায্য করে। তাই যারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান তারা নিয়মিত ২-৩ টি করে রুটি খাওয়া অভ্যাস করুন।

ওজন বৃদ্ধি হয় নাঃ

রুটিতে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় রুটি খেলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই।

অতিরিক্ত চর্বি কমায়ঃ

যাদের শরীরে চর্বির আধিক্য রয়েছে তারা নিয়মিত রুটি খেলে চর্বি কমে যাবে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ

একাধিক গবেষণায় দেখে গেছে, রাতে রুটি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার ফলে প্রেসার বেড়ে যাওয়া, হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেন স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ

রুটিতে থাকা ফাইবার ও সেলেনিয়াম ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমাদের  নিয়মিত রুটি খাওয়া উচিত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ

রুটিতে থাকা উপকারি উপাদানগুলো শরীরে প্রবেশ করে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আটা রুটির অপকারিতাঃ

  • রাতে ২-৩ টির বেশি আটা রুটি খাওয়া উচিত নয়। রুটি বেশি খেলে শারীরিক অনেক রোগের সূত্রপাত হতে পারে।
  • আটা রুটি হজম করার ক্ষমতা সকলের থাকে না তাই যাদের এধরণের সমস্যা রয়েছে তারা রুটি খাওয়ার ব্যপারে সতর্ক থাকতে হবে।
  • রোজ রাতে রুটি খেলে অনেকের মানসিক অবসাদ ও ডিপ্রেশন বেড়ে যেতে পারে।
  • গমের তৈরি খাবার বেশি খেলে মাথার চুল ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • রুটি বেশি খেলে ত্বকে এলার্জিসহ নানা ধরনের সসমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • যারা পেটের সমস্যায় ভুগেন তাদের জন্য অতিরিক্ত মাত্রায় গমের তৈরি কোনো খাবার খাওয়া ঠিক নয়।