বৈজ্ঞানিক গবেষণায় মান নিয়ন্ত্রিত । বাজারের ১নম্বর মসলা, হলি ফুডস এর মসলা।

মসলা (Spice)  খাদ্যের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে ব্যবহার্য যে কোন উদ্ভিদ, উদ্ভিদের অংশ বা ফুল, ফল ও বীজ। সুগন্ধ ও উদ্বায়ী তৈল থাকার জন্যই মসলার কদর। খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে সহায়তা করলেও মসলা কোন খাদ্য নয়, এগুলির তেমন পুষ্টিমান নেই। গ্রীষ্মমন্ডলীয় কিছু উদ্ভিদ থেকেই প্রধানত মসলা সংগৃহীত হয়। মসলা ছিল প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে বাণিজ্যের প্রথম ও প্রধান পণ্য। মসলা অনুসন্ধান একদা বিশ্ব ইতিহাসের এক শক্তিশালী চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিল। প্রাচ্যের মসলাসমৃদ্ধ দ্বীপগুলিতে যাতায়াতের সমুদ্রপথ আবিষ্কারের জন্য অনুসন্ধানী সমুদ্রযাত্রায় ভাস্কো-ডা-গামা, কলম্বাস, ম্যাগেলান ও অন্যান্য নাবিক এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে পর্তুগিজ, ওলন্দাজ ও ইংলিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।

মসলাদার খাবার খাওয়ার উপকারিতা

খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে মসলার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বেশিরভাগ মানুষ মসলাদার খাবার পছন্দ করেন।  এসব মসলা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।
রান্নায় ঔষধি গুণ সম্পন্ন দারুচিনি, হলুদ, জিরা, মরিচ, আদা, রসুন ও লবঙ্গের মতো মসলা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কিছু নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসার জন্য রোগীদের মসলা এবং এ দিয়ে তৈরি খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হার্ভার্ড ও চায়নিজ ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ২০১৫ সালে একটি গবেষণা প্রতিবেদন বের করে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যারা সপ্তাহে সাত বা অন্তত একদিনের জন্য হলেও মসলাযুক্ত খাবার খায়, তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ১৪ শতাংশ হ্রাস পায়।

আসুন জেনে নিই মসলাদার খাবার খাওয়ার উপকারিতা

১. মসলা ইনফ্ল্যামেশনের বিরুদ্ধে লড়াই করে।  সব রকমের মসলায় একের অধিক অ্যান্টি–ইনফ্ল্যামেটরি উপাদানে ভরপুর। হলুদে বিদ্যমান একটি শক্তিশালী উপাদান, যা কুরকুমিন নামে পরিচিত—শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমাতে পারে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় হাজার বছর ধরে আদা, রসুন, হলুদ ব্যবহার হয়ে আসছে। এ ছাড়া আর্থ্রাইটিস, বমিভাব, মাথাব্যথা ইত্যাদির উপশমে কাজ করে মসলা।

২. ঠাণ্ডা জ্বরের চিকিৎসায় মসলার ব্যবহার করতে পারেন। জ্বর–সর্দি-কাশি হলে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের মসলা এবং আদা দিয়ে তৈরি চা খেলে উপকার পাবেন।

২. সব ধরনের মসলায় আছে অনেক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেলের ফলে হওয়া ক্ষতি সারিয়ে তুলতে সাহ্য করে। এই ফ্রি রেডিকেল শরীরের ক্যান্সার কোষ সৃষ্টির জন্য দায়ী।

৩. মরিচে থাকা ক্যাপসেইসিন নামের উপাদান ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি হ্রাস, এমনকি ধ্বংস পর্যন্ত করতে পারে।

৪. মসলা ও ঝালজাতীয় খাবার রক্তের শর্করা কমায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসকরা স্বাভাবিক মাত্রায় মসলাযুক্ত খাবার খেতে বলেন।

৫. যারা বেশি পরিমাণে মসলাযুক্ত খাবার খান তাদের হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। মসলাযুক্ত খাবার খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়।